দিনাজপুরনিউজ২৪ ডটকমের ব্লগসাইটে আপনাকে স্বাগতম!

প্রকাশঃ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০১৯, প্রতিপাদ্যঃ- টিকা নিন নির্মূল করুন।

আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ।প্রতিবছর ২৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। জলাতঙ্ক জীবাণু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতেই সারা বিশ্বে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত হয়। এই রোগের রোগীরা জল দেখে বা জলের কথা মনে পড়লে প্রচন্ড আতঙ্কিত হয় বলে এই রোগের নাম জলাতঙ্ক। । প্রতিবছর বিশ্বে যত মানুষ কুকুরের দ্বারা আক্রান্ত  হয়ে মারা যায় তার ৯৯ শতাংশই এই রোগের কারণে হয়। প্রতি বছর জলাতঙ্ক রোগেপ্রায় ৫৫ হাজার লোক মারা যায়। এর মধ্যে শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের পার্শ্ববতী দেশ ভারতে প্রতি বছর ২০ হাজার ও বাংলাদেশে প্রায় ২ হাজার মানুষ মারা যায়। 

জলাতঙ্ক  হল ভাইরাস জনিত এক ধরনের জুনোটিক রোগ (অর্থাৎ এই রোগটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়)। রেবিজ ভাইরাস নামক একধরণের নিউরোট্রপিক ভাইরাস দিয়ে এই রোগ হয়।এই রোগ সাধারনত গৃহপালিত প্রাণী ও বন্য প্রাণীদের প্রথমে সংক্রমিত করে, মানুষ এই প্রাণীগুলির বা এদের লালার সংস্পর্শে আসলে বা এই প্রাণীগুলি যদি মানুষকে কামড়ায় অথবা আঁচড় দেয় তাহলে এই রোগ মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। জলাতঙ্ক রোগ এন্টার্কটিকা ছাড়া প্রায় সব মহাদেশেই দেখা গেছে। আপনারা জেনে আশ্চর্য হবেন, ভারতের পর বাংলাদেশে জলাতঙ্কজনিত রোগীর মৃত্যুসংখ্যা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।  ভাইরাস জনিত র‌্যাবিস জীবাণু দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হলে যে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায় তাকে বলা হয় জলাতঙ্ক রোগ। এটি একটি মারাত্মক রোগ। ডাক্তারের পরামর্শ মতে ভ্যাকসিন নেয়া শুরু করলে ভয়ের কিছু নেই। কুকুর, শেয়াল, বিড়াল, বানর, গরু, ছাগল, ইঁদুর, বেজি (নেউল), র‌্যাবিস ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এবং মানুষ সহ অন্য কোন প্রাণেিক কামড়ালে, আঁচড় দিলে, লালা কোন ক্ষতস্থানে লাগলে এ রোগ হয়। এসব জীব জানোয়ারের মুখের লালায় র‌্যাবিস ভাইরাস  থাকে। এ লালা পুরানো ক্ষতের বা দাঁত বসিয়ে দেয়া ক্ষতের বা সামান্য আঁচড়ের মাধ্যমে রক্তের সংস্পর্শে আসলে রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি হয়। যদি কুকুরটির বা কামড়ানো জীবটির লালায় র‌্যাবিস জীবাণু না থাকে, তাহলে জলাতঙ্ক হবার সম্ভাবনা নেই । আমাদের দেশে শতকরা ৯৫ ভাগ জলাতঙ্ক রোগ হয় কুকুরের কামড়ে।

রেবিজ ভাইরাসের সুপ্তাবস্থা কামড় স্থানের উপর ভিত্তি করে দুই থেকে ষোল সপ্তাহ বা আরো বেশি হতে পারে। পায়ের তুলনায় মাথার দিকে কামড়ালে সুপ্তিকাল আরো কমে যায় কারণ ভাইরাসের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে পৌছাতে সময় কম লাগে। কামড় স্থানেই এরা বংশবৃদ্ধি আরম্ভ করে দেয়। এরা সংবেদী স্নায়ুকে আক্রান্ত করে এবং অ্যাক্সন বেয়ে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের দিকে এগোতে থাকে।স্নায়ুর মধ্য দিয়ে পরিবহনের সময় সাধারণত কোনো ইমিউন রিয়্যাকশন হয় না, যদিওবা হয় তাহলে তা খুবই সামান্য। ভাইরাস কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে পৌছানোর পর সেখানে বংশবৃদ্ধি করতে থাকে এবং পুনরায় প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র বেয়ে লালাগ্রন্থিসহ অন্যান্য অঙ্গে এসে জমা হয়। লালাগ্রন্থি থেকে লালারসে ভাইরাস প্রবেশ করে ফলে জলাতঙ্ক রোগীর কামড়ের মাধ্যমে এটা অন্যের দেহে পরিবাহিত হতে পারে। স্নায়ুতন্ত্রে এটি নিউরনকে ধ্বংস করে এবং মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) করতে পারে। প্রথমদিকে অনির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ যেমন জ্বর, ক্ষুধামন্দা, কামড় স্থানের অনুভূতিতে পরিবর্তন যেমন চিনচিন, ঝিনঝিন ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়। কয়েকদিন পর থেকে তন্দ্রা, কনফিউশন,অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা, লালারসের ক্ষরণ বৃদ্ধি  প্রভৃতি লক্ষণ দেখা দেয়। সবচেয়ে লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে ঢোক গিলার সময় ডায়াফ্রাম, রেসপিরেটোরি মাসল ও কণ্ঠনালির তীব্র ব্যথাযুক্ত সংকোচন হয় বিশেষ করে পানি পান করার চেষ্টা করলে ডায়াফ্রাম ও অন্যান্য ইন্সপিরেটোরি মাসলের তীব্র সংকোচন ও ব্যথা হয় ফলে রোগীর মধ্য হাইড্রোফোবিয়া বা পানভীতি তৈরি হয়।[৫][৬] এই অবস্থার জন্য বাংলায় এই রোগকে জলাতঙ্ক নামে অভিহিত করা হয়। কামড়ের স্থানের উপর ভিত্তি করে মানব দেহে এ ভাইরাসটি প্রবেশ পর রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে ১ থেকে ৩ মাস সময় লেগে যেতে পারে। কোনো কোনো সময় ১ বছর সময় লেগে যায়।

 এছাড়া রোগীর ডিলিউসন, হ্যালুচিনেশন ও পাগলামি,শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নাড়ানোর অক্ষমতা, চেতনাশূন্যতা দেখা দেয়।

কীভাবে বুঝবেন কুকুরটি জীবাণুতে আক্রান্ত : দংশিত কুকুরটিকে হত্যা না করে ১০ দিন বেঁধে চোখে চোখে রাখতে হবে। যদি কুকুরটি ১০ দিনের মধ্যে পাগল না হয় বা মারা না যায় তবে বুঝতে হবে কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগের র্যানবিস জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত নয়। এতে কামড়ানো মানুষটিকে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। আর যদি কুকুরটি অসুস্থ হয়ে যায় বা পাগল হয়ে যায় অথবা মারা যায় অথবা নিখোঁজ হয়ে যায় তাহলে কামড়ানো মানুষটির চিকিৎসা করানো অবশ্যই দরকার। তাছাড়া নিম্নলিখিত লক্ষণ প্রকাশ পেলে বুঝতে হবে কুকুরটি জলাতঙ্ক জীবাণুতে আক্রান্ত : কুকুরটি পাগল হয়ে গেলে * মুখ থেকে অত্যধিক লালা নিঃসৃত হলে, * উদ্দেশ্যহীনভাবে ছোটাছোটি করলে বা পাগলামী করলে, চলমান কোন বস্তুকে দেখরে কামড় দিতে চায় * ঘন ঘন ঘেউ ঘেউ করলে, * সামনে যা কিছু পায় তাতেই কামড়ানোর প্রবণতা দেখালে। কোনো কোনো কুকুরের ক্ষেত্রে চুপচাপ থাকে। বাহিরের আলো সহ্য করতে পারে না। তাই ঘরের কোনে অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকে। তবে সাধারণভাবে আক্রান্ত কুকুরটি ১০ দিনের মধ্যে মারা যায়। * খাবার জল গ্রহণ করে না।

টিকার আবিষ্কার : কুকুর দ্বারা কামড়ানো জলাতঙ্ক রোগগ্রস্ত মানুষকে এ রোগের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য ফরাসি রসায়নবিদ ও জীববিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৮৫ সালে ৬ জুলাই জোসেফ মিয়েস্টার নামক এক বালকের দেহে এই টিকা সর্ব প্রথম ব্যবহার করেন এবং বালকটি ভালো হয়ে ওঠে। তারপর হতে সারা বিশ্বে সফলতার সাথে এ টিকা এ রোগের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

অথবা কীভাবে বুঝবেন কুকুরটি জীবাণুতে আক্রান্ত :

 দংশিত কুকুরটিকে হত্যা না করে ১০ দিন বেঁধে চোখে চোখে রাখতে হবে। যদি কুকুরটি ১০ দিনের মধ্যে পাগল না হয় বা মারা না যায় তবে বুঝতে হবে কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগের র্যানবিস জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত নয়। এতে কামড়ানো মানুষটিকে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। আর যদি কুকুরটি অসুস্থ হয়ে যায় বা পাগল হয়ে যায় অথবা মারা যায় অথবা নিখোঁজ হয়ে যায় তাহলে কামড়ানো মানুষটির চিকিৎসা করানো অবশ্যই দরকার। তাছাড়া নিম্নলিখিত লক্ষণ প্রকাশ পেলে বুঝতে হবে কুকুরটি জলাতঙ্ক জীবাণুতে আক্রান্ত : কুকুরটি পাগল হয়ে গেলে * মুখ থেকে অত্যধিক লালা নিঃসৃত হলে, * উদ্দেশ্যহীনভাবে ছোটাছোটি করলে বা পাগলামী করলে, চলমান কোন বস্তুকে দেখলে কামড় দিতে চায় * ঘন ঘন ঘেউ ঘেউ করলে, * সামনে যা কিছু পায় তাতেই কামড়ানোর প্রবণতা দেখালে। কোনো কোনো কুকুরের ক্ষেত্রে চুপচাপ থাকে। বাহিরের আলো সহ্য করতে পারে না। তাই ঘরের কোনে অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকে। তবে সাধারণভাবে আক্রান্ত কুকুরটি ১০ দিনের মধ্যে মারা যায়। * খাবার জল গ্রহণ করে না।

আক্রান্ত হলে করণীয়: 

♦ কুকুরে কামড়ানোর সাথে সাথে প্রাথমিক চিকিৎসায় অধিক গুরুত্বপূর্ন । কিন্তু আমরা না জানার কারনে প্রাথমিক চিকিৎসা না করে ডাক্তারের কাছে দৌড়ায় । কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানরসহ যেকোনো বন্য প্রাণী কামড়ালে প্রথমেই কাপড় কাচার ক্ষারযুক্ত সাবান (র‌্যাবিস ভাইরাসের সেলকে গলিয়ে ফেলে ক্ষার) দিয়ে প্রবহমান পানিতে কমপক্ষে ১৫/২০ মিনিট ক্ষতস্থান ধুতে হবে। এতে ৭০-৯০ শতাংশ জীবাণু মারা যায়।

♦ যেকোনো আয়োডিন/অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম লাগিয়ে কামড়ানো বা আঁচড় দেওয়ার ‘জিরো আওয়ার’-এর মধ্যে, অর্থাৎ যত দ্রুত সম্ভব টিকা দিয়ে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে হবে।

♦ নিকটবর্তী হাসপাতালে বা ক্লিনিকে নিতে হবে। বাজারে রাবিপুর নামে ইনজেকশন পাওয়া যায়। তা ডাক্তারের পরামর্শে রেবিক্স ভিস্যি নিতে হয়। প্রথম দিন দেয়ার পর ৩, ৭, ১৪, ৩০ ও ৯০ তম দিনগুলোতে দিতে হয়। কুকুর কামড়ানোর পরপরই টিকা নিয়ে মানুষ বেঁচে যেতে পারে। গর্ভবতী নারীদেরও দেওয়া যায়।

 আবার যারা এসব প্রাণী নিয়ে কাজ করেন তারা সতর্কতামূলক অন্যান্য টিকার মতো আগেই টিকা দিয়ে রাখবেন, এটাই নিয়ম। তবে মনে রাখবেন আপনার চিকিৎসকই প্রয়োজনীয় চিকিৎসার উপদেশ দিবেন। কামড় যদি গভীর হয় বা রক্ত বের হয়, তবে ক্ষতস্থানে র্যা্বসি ইমিউনোগ্লোবিউলিনসহ  (আরআইজি) অ্যান্টি র‌্যাবিস ভ্যাকসিন যত দ্রæত সম্ভব দিতে হবে। বেশি রক্তপাত হলে তা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে।

♦ আক্রান্ত ব্যক্তির ভীতি দূর করতে হবে। জলাতঙ্কে আক্রান্ত পশুটি মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।

♦ সাধারণত কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। তাই লক্ষণ প্রকাশের আগেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

যা করা যাবে না

♦ ক্ষতস্থানে কোনো সেলাইন, বরফ, ইলেকট্রিক শক, চিনি, লবণ ইত্যাদি ক্ষারক পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না।

♦ বাটিপড়া, পানপড়া, চিনিপড়া, মিছরিপড়া, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি জলাতঙ্কের হাত থেকে কাউকে বাঁচাতে পারে না।

♦ ক্ষতস্থান কখনোই অন্য কিছু দিয়ে কাটা বা সেলাই, চোষন করা বা ব্যান্ডেজ করা যাবে না। হাত-পা বাঁধাও যাবে না।

কারো জলাতঙ্ক হলে

♦ রোগীর চিকিৎসার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিকেও সতর্ক থাকতে হবে। সেবাদানকারীকেও ভ্যাকসিন নিতে হবে।

♦ আক্রান্ত রোগীর প্লেটের অবশিষ্ট খাবার খাওয়া যাবে না। ব্যবহৃত জিনিসপত্র সাবধানতার সঙ্গে ধুতে হবে। হাতে কাটাছেঁড়া থাকলে সেবাদানকারীকে আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে, ওই অংশ দিয়ে শরীরে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে।

♦ কেউ কেউ কামড় বা নখ দিয়ে আঁচড়ে ধরার চেষ্টা করলে তা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। 

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে করণীয়

অসচেতনতাই জলাতঙ্ক ছড়ানোর জন্য বেশি দায়ী। সচেতন হলে জলাতঙ্ক থেকে শতভাগ ঝুঁকিমুক্ত থাকা যায়। তাই প্রয়োজন কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ

♦ পোষা কুকুর বা প্রাণীকে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা নিয়মিত দেওয়া উচিত।

♦ বেওয়ারিশ কুকুরকে মাসডক ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনতে হবে। আক্রান্ত কুকুর যাতে পরপর অনেক লোককে কামড়াতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

♦ অনেকে কুকুরকে অযথাই লাথি দেয়, ইচ্ছা করে ঢিল মারে। ফলে কুকুরটি বিরক্ত হয়ে ওই ব্যক্তি বা অন্য কাউকে কামড়ে দেয়। বেওয়ারিশ বা রাস্তার কুকুরকে কখনো বিরক্ত করা ঠিক না।

♦ আক্রান্ত পশু মারা গেলে কোথাও ফেলে না রেখে মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে।

♦ শিশুরা কুকুর বা বিড়ালকে খাবার দিতে যায়। কুকুর তখন জোর করে কেড়ে নিতে গিয়ে কামড় দিয়ে বসে। এ থেকে সাবধান থাকতে হবে।

♦ কোনো কারণে কুকুর আক্রমণ করতে চাইলে মূর্তির মতো সোজা দাঁড়িয়ে যেতে হবে। হাতে কোনো ব্যাগ বা অন্য কিছু থাকলে যথাসম্ভব আড়াল করে রাখতে হবে। দেখা গেছে, এতে ৭০ থেকে ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে কুকুর অনিষ্ট করে না বা কামড় দেয় না।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও কয়েক বছর আগে থেকে কুকুরকে টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কুকুরকে টিকাদান কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব অ্যানিমেলস (ডব্লিউএসপিএ)। ডব্লিউএসপিএ জানায়, জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে কুকুর নিধন অকার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। পক্ষান্তরে কুকুরকে নিয়মিত টিকাদান পদ্ধতি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায়।

(সংগৃহিত)

শেয়ার করুনঃ
ব্লগার MD.ZIAUR RAHMAN এর অন্যান্য পোস্টঃ
আপনার পছন্দের তালিকায় আরও থাকতে পারেঃ
0 মন্তব্য
আপনার মতামত দিন
বাংলা বর্ণমালার বর্ণ কোনটিঃ
Hit enter to search or ESC to close
হ্যালো, আমার নাম

MD.ZIAUR RAHMAN