দিনাজপুরনিউজ২৪ ডটকমের ব্লগসাইটে আপনাকে স্বাগতম!

জীবনযাপন

প্রকাশঃ ১৬ এপ্রিল, ২০২০

জীবনযাপন

ঘোড়াঘাটের প্রত্যন্ত গ্রামে দুস্থ ও কর্মহীন পরিবারের পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীরা

আকদাছ আরমান (রাণীগঞ্জ) ঃ-
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে! ছোঁয়াচে এ রোগের বিস্তার ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিদেরা ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন! এরই মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে দুর পাল্লার বাস ট্রেন! কর্মহীন হয়ে পড়ছে অসংখ্য মানুষ! অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা! এমন দুঃসময়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে দিনাজপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
দিনাজপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াঘাট উপজেলার কয়েকটি গ্রামে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও মাস্ক,হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হাত ধোয়া সাবান,লিফলেট, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ৫০ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে দিনাজপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ঘোড়াঘাটের শিক্ষার্থীরা।
কার্যক্রম আরম্ভ কিভাবে এমন প্রশ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্হ দিনাজপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি এর সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম নিয়ন বলেন, ৮ ই মার্চ দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেলে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ শুরু করি। তিনি আরও বলেন,প্রথমদিকে ৫০ জন পরিবারের মাঝে দৈনন্দিন নিত্য প্রয়োজনীয় চাল,ডাল,আলু,তেল,পিয়াজ, মরিচ,লবণ ও শুকনা খাবার বিতরণ করি! যতদিন না দেশ করোনা মুক্ত হচ্ছে ততদিন তাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাব্যক্ত করেন!
এ সম্পর্কে একজন উপকারভোগী বলেন,আমরা গ্রামের মানুষ করোনা সম্পর্কে এতকিছু জানি না! কিন্তু দিনাজপুর ছাত্র কল্যাণ সমিতি থেকে আমাদের এই বিষয়ে অনেক কথা বলেছে! সচেতন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও বাড়ি থাকতে বলেছে! খাবার দিয়েছে বলে অবর্ণনীয় কষ্ট থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি!
এই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও ঘোড়াঘাট উপজেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সভাপতি রেজভী হাসান,সাধারণ সম্পাদক ও দিনাজপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সাংগাঠনিক সম্পাদক রোবায়েত জান্নাত, সহ-সম্পাদক সাগর মোল্লা, বিপ্লব মন্ডল,কার্যকরী সদস্য তামান্না ইয়াসমিন তুলি প্রমুখ!
তাদের এই উদ্যোগের কারণে অনেকেই এই ভাইরাসের ক্ষতিকারক দিক ও এ ভাইরাস থেকে মুক্তির দিক নির্দেশনা পাচ্ছে। তাছাড়া তারা লোকজনকে জড়ো না করে যার যার অবস্থানে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন! যতদিন প্রয়োজন ততদিন তাঁরা এই কাজ চালিয়ে যাবেন!
উল্লেখ্য, সচেতনতা প্রোগ্রাম ও খাবার বিতরণ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সংগঠনটির সিনিয়র ভাইবোন ও চলমান শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে ফান্ড গঠন করা হয়েছে!

ব্লগার Md.Akdas Arman Apel এর অন্যান্য পোস্টঃ
আপনার পছন্দের তালিকায় আরও থাকতে পারেঃ
0 মন্তব্য
আপনার মতামত দিন
বাংলা বর্ণমালার চতুর্থতম বর্ণ কোনটিঃ
Hit enter to search or ESC to close
হ্যালো, আমার নাম

Md.Akdas Arman Apel