দিনাজপুরনিউজ২৪ ডটকমের ব্লগসাইটে আপনাকে স্বাগতম!

রাঁধুনির কথা

প্রকাশঃ ০২ অক্টোবর, ২০১৮

রাঁধুনির কথা

শাকে ঢাকা খাবার

থাই ধারায় কলমিশাক:

উপকরণ: কলমিশাক ২ আঁটি, রসুন ৪ কোয়া, কাঁচাপাকা মরিচ ২-৩টি, অয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, ফিশ সস ১ টেবিল চামচ, চিকেন স্টক অর্ধেকটা, চিনি ১ চা-চামচ ও তেল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি: কলমিশাক বেছে কচি ডাঁটাসহ ধুয়ে বড় বড় টুকরোয় কেটে নিতে হবে। মরিচ আর রসুন হালকা করে ছেঁচে নিন। চিকেন স্টক পৌনে এক কাপ হালকা গরম পানিতে গুলিয়ে রাখতে হবে। প্যানে তেল গরম করে ছেঁচে রাখা মরিচ-রসুন হালকা ভেজে তাতে শাক, অয়েস্টার সস, ফিশ সস, চিকেন স্টক আর চিনি দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিলেই থাই স্টাইল স্টির ফ্রায়েড কলমি তৈরি। তাই বাড়তি লবণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

গরু কলমি পোলাও

উপকরণ: পোলাও চাল ৫০০ গ্রাম, গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম, ডাঁটা ছাড়া কলমি শাকের পাতা ৩০-৩৫টা (বড় করে কাটা), পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, টক দই ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কাশ্মীরি মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, জায়ফলবাটা সিকি চা–চামচের কম, জয়ত্রীবাটা সিকি চা–চামচের কম, গরমমসলার গুঁড়ো পৌনে এক চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, জর্দার রং সিকি এক চা–চামচের কম, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ ও ঘি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি: মাংস ছোট করে কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। শাক কেটে ধুয়ে রাখতে হবে। চাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। পাতিলে পানি ফুটিয়ে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে আধা সেদ্ধ হলে তা নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। অন্য একটা পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি আর তেজপাতা দিয়ে লালচে করে ভেজে তাতে মরিচগুঁড়া, আদা-রসুনবাটা, জায়ফল-জয়ত্রীবাটা আর স্বাদমতো লবণ দিয়ে কষিয়ে মাংস দিয়ে কষান। পানি শুকিয়ে গেলে দই আর গরমমসলার গুঁড়া দিয়ে মাংস সেদ্ধর জন্য পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে গা–মাখা হয়ে তেল ওপরে উঠে এলে নামিয়ে ফেলতে হবে। ২ চা-চামচ ভাতের সঙ্গে জর্দার রং মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর অন্য একটা পাত্রে প্রথমে ভাতের লেয়ার, তারপর রান্না করা মাংস, তারপর ভাতের লেয়ার দিয়ে ওপরে শাক, ঘি, আস্ত কাঁচা মরিচ, জর্দার রং মেশানো ভাত আর অর্ধেকটা বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে ঢেকে তাওয়ার ওপর বসিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দমে রাখতে হবে ১৫-২০ মিনিট। নির্দিষ্ট সময় পর চুলা থেকে নামিয়ে হালকা হাতে মিশিয়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে বাকি বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

গরু কলমি পোলাও

উপকরণ: পোলাও চাল ৫০০ গ্রাম, গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম, ডাঁটা ছাড়া কলমি শাকের পাতা ৩০-৩৫টা (বড় করে কাটা), পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, টক দই ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কাশ্মীরি মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, জায়ফলবাটা সিকি চা–চামচের কম, জয়ত্রীবাটা সিকি চা–চামচের কম, গরমমসলার গুঁড়ো পৌনে এক চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, জর্দার রং সিকি এক চা–চামচের কম, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ ও ঘি ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি: মাংস ছোট করে কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। শাক কেটে ধুয়ে রাখতে হবে। চাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। পাতিলে পানি ফুটিয়ে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে আধা সেদ্ধ হলে তা নামিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। অন্য একটা পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি আর তেজপাতা দিয়ে লালচে করে ভেজে তাতে মরিচগুঁড়া, আদা-রসুনবাটা, জায়ফল-জয়ত্রীবাটা আর স্বাদমতো লবণ দিয়ে কষিয়ে মাংস দিয়ে কষান। পানি শুকিয়ে গেলে দই আর গরমমসলার গুঁড়া দিয়ে মাংস সেদ্ধর জন্য পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে গা–মাখা হয়ে তেল ওপরে উঠে এলে নামিয়ে ফেলতে হবে। ২ চা-চামচ ভাতের সঙ্গে জর্দার রং মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর অন্য একটা পাত্রে প্রথমে ভাতের লেয়ার, তারপর রান্না করা মাংস, তারপর ভাতের লেয়ার দিয়ে ওপরে শাক, ঘি, আস্ত কাঁচা মরিচ, জর্দার রং মেশানো ভাত আর অর্ধেকটা বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে ঢেকে তাওয়ার ওপর বসিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দমে রাখতে হবে ১৫-২০ মিনিট। নির্দিষ্ট সময় পর চুলা থেকে নামিয়ে হালকা হাতে মিশিয়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে বাকি বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

লাউশাকে শুঁটকির পাতুড়ি

উপকরণ: লাউপাতা ৮টি, চ্যাপা শুঁটকি ৮টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, রসুনকুচি ২ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ (স্বাদমতো), লবণ স্বাদমতো ও তেল আধা কাপ।

প্রণালি: লাউপাতা ডাঁটা ছাড়িয়ে আঁশ ফেলে ধুয়ে মুছে রাখুন। চ্যাপা শুঁটকি ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ, চ্যাপা শুঁটকি আর স্বাদমতো লবণ দিয়ে কষিয়ে অল্প পানি দিয়ে রান্না করে একদম ভর্তার মতো শুকনো করে নামিয়ে নিতে হবে। তারপর এক একটা লাউ পাতায় খানিকটা করে শুঁটকি ভর্তা দিয়ে প্যাকেটের মতো মুড়ে নিয়ে সুতা বা টুথপিক দিয়ে আটকে দিন। কড়াইতে অল্প তেল দিয়ে তাতে লাউপাতায় মুড়ানো ভর্তা সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন।

নারকেল দুধে কোরাল পালং

উপকরণ: কোরাল মাছ ৪ টুকরা, পালংশাক ১ আঁটি, নারকেল দুধ ২৫০ মিলি লিটার, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাশ্মীরি মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, কাঁচাপাকা মরিচ ৪টি, চিনি আধা চা-চামচ, লেবুর রস ও লবণ স্বাদমতো এবং তেল ৩ টেবিল চামচ।

প্রণালি: পালংশাক বেছে ধুয়ে কেটে রাখতে হবে। মাছের টুকরোগুলোতে অল্প লবণ-হলুদ মাখিয়ে প্যানে তেল গরম করে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। তারপর প্যানের তেলে পেঁয়াজকুচি দিয়ে হালকা করে ভেজে তাতে মরিচগুঁড়া, আদা-রসুনবাটা আর লবণ দিয়ে কষিয়ে নারকেল দুধ ও চিনি দিন। নারকেল দুধ ফুটে উঠলে তাতে পালংশাক দিন। পালংশাক নরম হয়ে এলে ভেজে রাখা মাছ, কাঁচা মরিচ ও লেবুর রস দিয়ে মাঝারি আঁচে মিনিট পাঁচেক রেখে নামিয়ে নিতে হবে।

পুঁই পাঁপড়

উপকরণ: পুঁইপাতা ১০-১২টি, বেসন ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া পৌনে এক চা-চামচ, মরিচগুঁড়া স্বাদমতো, আদাবাটা সিকি চা-চামচ, রসুনবাটা সিকি চা-চামচ, গরমমসলার গুঁড়া সিকি চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য ও ফ্রিজের ঠান্ডা পানি প্রয়োজনমতো।

প্রণালি: পুঁইপাতাগুলো ডাঁটা থেকে ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে মুছে রাখতে হবে। একটা পাত্রে ১ টেবিল চামচ তেলের সঙ্গে অন্যান্য উপকরণ ও প্রয়োজনমতো ঠান্ডা পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। মিশ্রণটা খুব বেশি ঘন হবে না আবার পাতলাও না। সেই সঙ্গে লক্ষ করতে হবে যেন কোনো দলা না থাকে। একটা প্যানে ডুবো তেল গরম করে তাতে মাঝারি আঁচে বেসনের মিশ্রণে ডুবানো পুঁইপাতা ছেড়ে দিয়ে মুচমুচে করে ভেজে কিচেন টিস্যুতে তুলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন।

ব্লগার Najmun Nahar Nipa এর অন্যান্য পোস্টঃ
আপনার পছন্দের তালিকায় আরও থাকতে পারেঃ
ঝাল মশলায় বুটের ডাল
ডিমের অসাধারণ রেসিপি
0 মন্তব্য
আপনার মতামত দিন
বাংলা বর্ণমালার চতুর্থতম বর্ণ কোনটিঃ
Hit enter to search or ESC to close
হ্যালো, আমার নাম

Najmun Nahar Nipa

Graphics Designer