দিনাজপুরনিউজ২৪ ডটকমের ব্লগসাইটে আপনাকে স্বাগতম!

রংপুর বিভাগ

প্রকাশঃ ১৫ জুলাই, ২০১৯

রংপুর বিভাগ

ঘোড়াঘাটে বোরকা দেওয়ার অপরাধে জরিবানার ২০ হাজার টাকা দিতে না পারায় এবং নিজেদের ভোগান্তির কথা ভিডিওতে প্রকাশ করে বিপাকে কলেজ ছাত্রী সুমি!! বাবা-মায়ের নামে হলো মামলা! এসপি দিনাজপুর সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ

ঘোড়াঘাটে বোরকা দেওয়ার অপরাধে জরিবানার ২০ হাজার টাকা দিতে না পারায় এবং নিজেদের ভোগান্তির কথা ভিডিওতে প্রকাশ করে বিপাকে কলেজ ছাত্রী সুমি!! বাবা-মায়ের নামে হলো মামলা! এসপি দিনাজপুর সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ।


দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পৌরসভাধীন ৬নং ওর্য়াডের লালমাটি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ও পারুল বেগমের কন্যা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী মোছাঃ সুমি আক্তার বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন উর্ধতন কর্মকর্তার বরাবরে লেখিত অভিযোগে তিনি জানান যে, তার পাশের বাড়ির এবং সর্ম্পকে ভাতিজি তার নিকট কোথাও বেরাতে যাবার কথা বলে বোরকা চায় তাই সুমি আক্তার তাকে বোরকা দেয় এবং বোরকা দেওয়ার পরে সে জানতে পারে যে উক্ত মেয়ে কারো হাত ধরে পালিয়েছে! পরে তাদের বাড়িতে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের আগমন ঘটে তার কিছুদিন পরে উক্ত মেয়ে তার চাচার সঙ্গে ঢাকা হতে বাড়ি ফিরে এলে ব্যাপারটা নিয়ে থানায় শালিশে বসে তাদের ২০ হাজার টাকা জরিবানা করা হয় উক্ত জরিবানার টাকা না দিতে পারলে বাসায় পুলিশ এসে ধাওয়া দিলে তার বাবা টাকা না দিতে পারায় বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়! পরে আবার পুলিশ আসে তার মাকে ধরতে একই ভাবে তার মা ও পলিয়ে যায় এবং পুলিশি অভিযান চলে প্রায় প্রতি দিন তারা এসে টাকা ২০ হাজার এর জন্য চাপ দেয় সুমি কে বলে টাকা দিলেই হবে সমাধান নইলে পরিস্থিতি হবে বেগতিক। তখন উক্ত পরিবার নিজেদের উপরে চলমান পুলিশি হয়রানি আর ২০ টাকা জরিবানা দাবীর বিরুদ্ধে ভিডিও বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে সাংবাদিকের মুখোমুখি হলে এবং সেই ভিডিও ফেসবুক+ইউটিউব সহ সোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপে প্রকাশ হলে সেইদিনই তার বাবা মাকে আসামী করে মামলা করা হয়। তাদেরকে করা হয় উক্ত মামলার  ৫-৬ নং আসামী, যাহার মামলা নাম্বার ঘোড়াঘাট থানা-৭ তারিখ ৭/৭/১৯। সুমি আক্তার তার অভিযোগে বলেন যদি পাশের বাড়ির বান্ধবী তুল্য ভাতিজিকে আমি বোরকা দিয়ে অপরাধ করেই থাকি তবে আমার বিচার করুন,, তাই বলে আমার অপরাধের কারনে বেশ কয়েকদিন টাকা নিতে এসে আমার  নিকট টাকা নিতে ব্যার্থ হয়ে আমার বাবা মাকে আসামী করা হলো কেন? সন্তান হিসেবে এমন পরিস্থিতি দেখে আমাকে নিজের কাছে অপরাধী মনে হচ্ছে,, আমার অপরাধের দায়ে আমার বাবা মাকে আসামী করবার কারনে মনে হচ্ছে আমি আত্তহত্যা করি!!! 
এই মামলার সুষ্ঠ্য তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগকারী কলেজ ছাত্রী বিচারের দাবী জানিয়েছেন অভিযোগ প্রদান কারেছেন সকল উর্ধতন কর্মকর্তার নিকট। যে সসমস্ত উর্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দের নিকট অভিযোগ দিয়েছেন এবং পাঠিয়েছেন তারা হলেনঃ নিজে উপস্থিত হয়ে দিয়েছেন  পুলিশ সুপার দিনাজপুর জেলা এবং বাকী গুলো সরকারী পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে এ.ডি করেছেন মাননীয় মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়-ঢাকা, আইজিপি-পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকা, এআইজি-পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকা, ডিআইজি-সিকিউরিটি সেল- পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকা, ডিআইজি-রংপুর রেন্জ,রংপুর কে।

ব্লগার md iftekhar ahmed এর অন্যান্য পোস্টঃ
আপনার পছন্দের তালিকায় আরও থাকতে পারেঃ
1 মন্তব্য
  1. আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। প্রত্যেক নাগরিকের স্বাধীন ভাবে মতামত প্রকাশের অধিকার আছে। সেটা হতে পারে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অথবা মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমে। এগুলোর কোনটি এখন বাংলাদেশে আছে? তাই সঠিক মতামত দিতে ভয় হয়।

আপনার মতামত দিন
বাংলা বর্ণমালার বর্ণ কোনটিঃ
Hit enter to search or ESC to close
হ্যালো, আমার নাম

md iftekhar ahmed